ব্লগে যেভাবে লিখবেন…

“বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম”

শুরুতেই মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে হাজার হাজার শুকরিয়া জানাই।

“প্রযুক্তির সূরে মেতে উঠুক, বাংলার প্রতিটি মানুষ” স্লোগান নিয়ে একটি মহৎ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে তৈরী করা হয়েছে টেকটোন্স(বাংলাদেশ)। প্রযুক্তিপ্রেমী অগনিত মানুষের ভালবাসা ও উৎসাহ পেয়ে এগিয়ে যাচ্ছে আপনাদেরই প্রিয় এই টেকটোন্স(বাংলাদেশ) ব্লগ। এই ব্লগ অন্যান্য ব্লগ থেকে একটু ব্যতিক্রম। এখানে যেকোন ভিজিটর ব্লগের যেকোন পোস্ট দেখতে, এবং শেয়ার ফেসবুকে শেয়ার করতে পারছে খুব সহজেই। এখানে নিবন্ধনের জন্য কোন বাধ্যবাধকতা নেই। কোন পোস্ট এ যদি কোন প্রশ্ন বা চাহিদা থাকে তবে আপনি খুব সহজেই এখানে কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে পারেন।

কিন্তু আপনি যদি চান এই ব্লগে আপনিও প্রযুক্তি বিষয়ক লেখা লিখে আপনার জানা টিপস সবার সাথে শেয়ার করবেন, তাহলে আপনাকে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধন খুবই সহজ।

প্রথমে আপনি টেকটোন্সবিডির উপরের বামদিকের কোণায় দেখুন লেখা আছে “নিবন্ধন করবেন?”। এখান ক্লিক করুন।

ক্লিক করার পর নিচের ছবির মত রেজিষ্টার প্যানেল আসবে। এই খানে আপনি username এ আপনি আপনার নাম, সাংকেতিক শব্দ ইত্যাদি লিখতে পারেন। অবশ্যই ইংরেজিতে। এর পর E-mail এ আপনি আপনার ইমেইল এ্যাড্রেসটি লিখুন। এবং Register এ ক্লিক করুন।

untitled5

এর পর আপনার ইমেইলের inbox চেক করুন। সেখানে টেকটোন্স(বাংলাদেশ) হতে একটি username ও password যাবে। এই দুটির মাধ্যমে আপনি টেকটোন্স(বাংলাদেশ) তে লগইন করুন।

লগইন করার পর আপনার প্রোফাইলটি সাজিয়ে ফেলুন। নিজের সম্পর্কে আপনার সুন্দর একটি বর্ননা দিন। আপনার সুন্দর একটি ছবি দিতে কিন্তু অবশ্যই ভুলবেন না। ছবি দেয়ার প্রসেসটা একটু অন্যরকম। তবে আপিন যদি চান তাহলে ছবি না দিয়েও আপনার ইচ্ছামত পোষ্ট করতে পারবেন। আর যদি চান যে ছবি আপনাকে দিতেই হবে! তাহলে একটু কষ্টতো করতে হবে আপনাকে। তাই প্রথমে আপনি www.gravatar.com এই ওয়েব সাইটে প্রবেশ করুন। সেখান থেকে উপরের ড্রপডাউন বাটনে ক্লিক করে signup ক্লিক করুন। আপনি যে ইমেইল দিয়ে টেকটোন্স (বাংলাদেশ)এ রেজিস্ট্রেশন করেছেন সেই ইমেইলটি প্রবেশ করিয়ে signup ক্লিক করুন। তাহলে আপনার ইমেইলে কনফার্মেশন মেসেজ যাবে ।এখানে আপনার ইমেইল আইডি দেওয়া থাকবে এবং আপনি ইউজার নেম, পাসওয়ার্ড ইত্যাদি প্রবেশ করিয়ে signup ক্লিক করুন। এরপর এখানে Add One ক্লিক করুন।এখান থেকে My computers hard drive ক্লিক করুন এবং ছবি সিলেক্ট করুন । প্রয়োজন মত ছোট বড় করে crop and finish ক্লিক করুন। যে চিত্র আসবে- সেখান থেকে G এর উপর ক্লিক করুন। এরপর confirm ক্লিক করুন।

ব্যাস এবার আপনার পোষ্ট এ যেখানে আগে G এর চিত্র ছিল সেখানে দেখবেন আপনার ছবি যোগ হয়ে গেছে।

(মনে রাখবেন এখানে সাইন আপ করতে গেলে টেকটোন্সবিডির কোন লিংক প্রয়োজন নেই, অটোমেটিক আপনার টেকটোন্সবিডির প্রোফাইলে ছবি যোগ হয়ে যাবে)

এই তো গেল আপনার প্রোফাইল সাজানো। এখন যদি পোষ্ট করতে চান তাহলে টেকটোন্সবিডিতে লগনইন করার পর উপরের +New তে মাউস রাখে প্রকাশনায় ক্লিক করুন। এখন আপনার পোষ্টের পেজ আসবে…..

আপনার লিখতে যাতে সুবিধা হয় সে জন্য আপনি নিচের টুলবারের বিভিন্ন টুল এর বর্ননা টা পড়ে নিতে পারেন।

1st1

লেখা কে বোল্ড করার জন্য সিলেক্ট করুন এবং এটি ব্যবহার করতে পারেন।

 

 

2st

যেকোন লেখাকে এর মাধ্যমে করবেন ইটালিক।

 

 

36

লেখায় যদি কোন ভুল হয় তবে এর মাধ্যমে আপনি তা ডিলেট না করে মাঝ বরাবর একটি আচ্ছাদন দিতে পারেন। যেমন: ABC

 

 

44

এর মাধ্যমে আপনি লেখায় বুলেট ব্যবহার করতে পারেন।

 

56

এর মাধ্যমে লেখাকে নাম্বারিং করতে পারেন।

 

 

64

সাধারনত এর মাধ্যমে আপনি কোটেশন ব্যবহার করতে পারবেন।

 

 

73

এর মাধ্যমে আপনি আপনার লেখাকে একটি নিদিষ্ট সারিতে সাজাতে পারেন।

 

 

83

ব্লগিং এ এইটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কোন লেখাকে সিলেক্ট করে এর মাধ্যমে আপনি লিংক যুক্ত করতে পারেন। যেমন: আপনি লিখবেন DOWNLOAD এর পর তা সিলেক্ট করে এর মাধ্যমে আপনার ডাউনলোড লিংকটি বসিয়ে দিন। এতে যে কেউ আপনার লিখিত ঐ DOWNLOAD লেখার উপর ক্লিক করে ডাউনলোড শুরু করতে পারবে।

 

 

92

এর মাধ্যমে যদি কোন লিংক থাকে তবে তা বাদ দিতে পারবেন।

 

 

102

এটি দিয়ে আপনি রুলের কাজ করতে পারবেন।

 

 

119

এর মাধ্যমে আপনি বানান চেক করতে পারবেন।

 

 

123

এর মাধ্যমে ফুলস্ক্রিন মোডে লিখতে পারবেন।

 

 

133

এর দ্বারা আপনি এক্সট্রা কিছু টুল আড়াল বা দৃশ্যমান করতে পারবেন।

 

 

143

এর দ্বারা আপনি লেখার স্টাইল পরিবর্তন করতে পারবেন। লেখা সিলেক্ট করে এর ড্রপডাউন মেনু হতে Heading 3 বা  Heading 2 সিলেক্ট করেই দেখুনই না কি হয়!

 

 

153

এর দ্বারা আন্ডারলাইন করবেন।

 

 

171

সিলেক্ট করা লেখাকে যদি কোন কালার/color    দিতে চান তবে এটি ব্যবহার করুন।

 

 

181

এর মাধ্যমে আপনি জটিলতা ছাড়াই টেক্সট লিখতে পারবেন।

 

191

এর মাধ্যমে আপনি লিখাটি ওয়ার্ড স্টাইলে লিখতে পারবেন।

 

 

202

এর মাধ্যমে আপনি লিখার বিন্যাস(ফরমেট) পরিবর্তন করতে পারবেন।

 

 

271

এটি দিয়ে আপনি আপনার লিখাকে স্টাইল দিতে পারেন।

 

 

212

এটি দিয়ে লিখার ইনডেন্ট পরিবর্তন করা হয়। মানে হল এর মাধ্যমে সিলেক্টেড লিখাকে ডানে বা বামে সরান হয়।

 

 

222

এর মাধ্যমে লিখা আগের অবস্থায় বা নতুন অবস্থায় ফিরিয়ে নেয়া হয়।

 

 

এর পর আমরা আরেকটি প্যানেল সম্পর্কে জানব। তা হলো Publish প্যানেল। এর কাজ সাধারনত আমরা সবাই কিছুটা হলেও জানি।

New-1

  • Save Draft : সাধারণত দেখা যায় যে আমরা একটি পোস্ট এক বারে সমাপ্ত করতে পারি না । তখন এটি আমাদের অনেক কাজে দেয় । আপনি যদি এটি দ্বারা সেভ করেন তাহলে আপনার লেখাটি যেভাবে রাখবেন পরবর্তীতে সে রকমই পাবেন একটুও পরিবর্তন হবে না । আর যদি Save Draft দ্বারা সেভ রাখা না হয় তবে আপনি আপনার আগের লেখাটি সম্পূর্ণ আগের অবস্থায় ফিরত নাও পেতে পারেন।

 

New2

  • Preview: এর সাহায্যে ব্লগে আপনার লিখাটি কেমন হয়েছে তা দেখতে পারেন।

 

new-5

  • status: Draft এর Edit এ ক্লিক করলে আপনি এর নিচে একটি মেনু পাবেন। যার ড্রপডাউন মেনুতে ক্লিক করলে দেখবেন সেখানে দুটি অপশন বের হয়েছে। একটি হচ্ছে ১) Draft ও অন্যটি হচ্ছে ২) pending review

 

  • nes-6

আপনি যদি pending review দিয়ে রাখেন তাহলে আপনার লেখাটি প্রকাশ হবে না তাই আপনার লেখাটি প্রকাশ করতে হলে খসড়া/Draft দিয়ে লেখতে হবে ।

 

  • Visibility:এই কথাটির অর্থ হচ্ছে অবলোকন । ডিফল্ট ভাবে এটি Public সিলেক্ট হয়ে থাকবে। তবে আপনি  এর Edit বাটনে ক্লিক করলে আরও তিনটি অপশন পাবেন।
  • ১) Public: আপনি যদি পাবলিক/Public দিয়ে রাখেন তাহলে আপনার লেখাটি সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। মানে হল আপনার প্রকাশের পর সবাই দেখতে পারবে।
  • ২)Password protected : পাসওয়ার্ড এর কাজ কি তা তো আমরা সকলেই জানি !  এটি দিয়ে রাখলে আপনার  দেয়া পাসওয়ার্ড ছাড়া এটি কেউ দেখতে পারবেন না ।
  • ৩) : এই ঘরটিতে ক্লিক করে শুধু মাত্র আপনি আপনার ব্যক্তিগত/ ফাইল রাখবেন ।
  • Publish :এটির মাঝে থাকে আপনার পোস্টের রেকর্ড সমূহ । আপনি কখন কবে আপনি আপনার পোস্টটি প্রকাশ করেছেন সেই রেকর্ড ।
  • এখন আপনি পাবেন তিনটি সম্পূর্ণ খালি ঘর । ১) আপনি কি চাচ্ছেন যে আপনার লেখাটি ফেসবুকের সাথে অ্যাড হউক ।
  • আপনি কি চাচ্ছেন আমি লেখায়  লাইক বাঁটন থাকুক ?
  • আপনি কি চাচ্ছেন আপনার লেখায় কমেন্ট হউক ? যদি আপনি এগুলোর মাঝে যে কোন একটি না চান তাহলে ঐ খানের খালি ঘরে ক্লিক করুন ।
  • move to trash : এটি দ্বারা আপনি আপনার অপ্রয়োজনীয় লেখা সমূহ আবর্জনা হিসেবে বাদ দিতে পারবেন
  • pubilish: এটি দ্বারা আপনি আপনার লেখাটি প্রকাশ করবেন ।

 

ক্যাটাগরি আপনার পোস্টের ক্ষেত্রে অন্তত্য গুরুত্বপূর্ণ .কারন আপনি যদি সঠিক ক্যাটাগরি নির্বাচন না করেন তবে আপনার লেখাটি প্রথম পেজে দেখা যাবে না । আপনি যে বিষয়ের উপর লেখবেন আপনি সেই ক্যাটাগরি নির্বাচন করবেন ।

 

ট্যাগ নির্বাচন একটি অন্তত্য গুরুত্বপূর্ণ কাজ । ট্যাগ নির্বাচন করার কারন হচ্ছে আপনি একটি লেখা লিখার পর যদি আপনি ঐলেখাটি ট্যাগ না করেন তবে ঐ লেখাটি সার্চ দিয়ে পেতে কষ্টকর হবে । আর আপনি যদি সঠিক ভাবে ট্যাগ করেন তাহলে সার্চ দেয়ার সাথে সাথে আপনার লেখাটি পাওয়া যাবে । ট্যাগ নির্বাচন করবেন কিভাবে ? আপনি যে বিষয়টির উপর লেখবেন আপনি ঐ বিষয়টির উপর ট্যাগ করবেন ।যেমন: আপনি যদি পিসি টিপস জাতীয় কোন পোস্ট লিখেন তবে আপনার ট্যাগ হবে pc tips and tricks. তাহলে এখন থেকে নিশ্চয় আপনার সঠিক ট্যাগ ব্যবহার করবেন ।

এর মাধ্যমে আপনি ইমেজ আপলোড করতে পারবেন।

অনেক লেখকই পোস্ট করার সময় পোস্টের ফিচার ইমেজ (Set featured image) যুক্ত করতে পারেন না। ফলে ব্লগের মূল পাতায় আপনাদের পোস্টগুলো দেখতে ভাল দেখায় না।                                      …..সংকলিত

 

Share Button

Leave a Reply